রবিবার, ডিসেম্বর ৩, ২০২৩
spot_img
বাড়িWorldচীন একটি নতুন ধরনের বিশ্বায়নের প্রবর্তক’

চীন একটি নতুন ধরনের বিশ্বায়নের প্রবর্তক’

নাইজেরিয়ার আবুজা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজনীতি ও আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের প্রধান শরীফ গালি সম্প্রতি সিনহুয়া নিউজ এজেন্সিকে দেওয়া এক একান্ত সাক্ষাত্কারে বলেন, চীন নতুন ধরনের বিশ্বায়নের প্রবর্তক এবং বৈশ্বিক শাসনব্যবস্থায় ইতিবাচক অবদান রেখে চলেছে। তিনি বলেন, বিশ্বায়ন-প্রক্রিয়াকে ন্যায্য ও আরও অন্তর্ভুক্তিমূলক হতে হবে।

গালি বলেন, দীর্ঘকালের জন্য, পশ্চিমা নেতৃত্বাধীন বিশ্বায়ন ছিল বিশ্বব্যাপী পশ্চিমা রাজনৈতিক ব্যবস্থা, অর্থনৈতিক ব্যবস্থা বিস্তারের প্ল্যাটফর্ম। বেশিরভাগ আফ্রিকান দেশ এবং অন্যান্য অনেক উন্নয়নশীল দেশ এই ধরনের বিশ্বায়নে শরিক হতে পারেনি।

গালি বিশ্বাস করেন যে, সাংস্কৃতিক ক্ষেত্রেও একই কথা সত্য। তিনি বলেন, “তথাকথিত সার্বজনীন সংস্কৃতি আসলে ইউরোপীয় সংস্কৃতি বা আমেরিকান সংস্কৃতি। এই সংস্কৃতি সারা বিশ্বে ছড়িয়ে দিওয়া হয়েছে… তারা তাদের সংস্কৃতিকে বিশ্বায়ন করেছে।”

তিনি বলেন, উদীয়মান অর্থনীতির উত্থানের সাথে সাথে, উন্নয়নশীল দেশগুলো বিশ্বশাসনে একটি বৃহত্তর কণ্ঠস্বর পেয়েছে এবং বিভিন্ন বহুপাক্ষিক সহযোগিতা প্রক্রিয়া ও প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে বিশ্বায়নের একটি ন্যায্য ও আরও অন্তর্ভুক্তিমূলক প্রক্রিয়ার পক্ষে প্রচারণা চালাতে শুরু করে। আর “চীন নতুন বৈশ্বিক ব্যবস্থার অন্যতম চালক।”

সম্প্রতি কিছু পশ্চিমা প্রতিষ্ঠান ও রাজনীতিবিদদের “চীনের সাথে বিচ্ছিন্নতা” নীতি সম্পর্কে গালি বলেন, এটি শুধুমাত্র এই কারণে যে তারা এই সত্যটি মেনে নিতে পারে না যে, চীন দ্রুত বিকশতি হচ্ছে। তারা চিন্তিত যে, চীনের সাফল্য একটি উদাহরণ সৃষ্টি করবে। তখন বিশ্বব্যাপী পশ্চিমা আধিপত্য নষ্ট হবে।

গালি বিশ্বাস করেন যে, চীনের প্রভাব ক্রমাগত বাড়ছে এবং বিশ্বব্যাপী সরবরাহ শৃঙ্খলে তাকে প্রতিস্থাপন করা যাবে না। তথাকথিত “ডিকপলিং অব চায়না” একটি অবাস্তব কল্পনা। “আপনি যেখানেই যান না কেন, আপনি মেড ইন চায়না দেখতে পাবেন,” গালি বলেন। “আজকের শিল্প ও অর্থনৈতিক ব্যবস্থায়, চীন ছাড়া এটি কল্পনা করা যায় না।”

গালি বলেন, বৈশ্বিক সরবরাহ শৃঙ্খলে চীনের অংশগ্রহণ নাইজেরিয়ার মতো উন্নয়নশীল দেশগুলোর অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির জন্য গুরুত্বপূর্ণ। চীনের প্রস্তাবিত “বেল্ট অ্যান্ড রোড” উদ্যোগ উন্নয়নশীল দেশগুলোর উন্নয়নে প্রয়োজনীয় অবকাঠামো উন্নত করতে সাহায্য করেছে। তিনি জোর দিয়ে বলেন, বেশিরভাগ উন্নয়নশীল দেশে “ডিকপলিং অব চায়না” নীতির কোনো ঠাঁই নেই। কারণ চীনকে ডিকপলিং করার মানে নিজেদের সুযোগ নষ্ট করা। তিনি বলেন, “চীন ছাড়া, বিশ্বায়ন টেকসই নয়।”

লেখিকা: ওয়াং হাইমান (ঊর্মি)
সাংবাদিক, বাংলা বিভাগ
চায়না মিডিয়া গ্রুপ, বেইজিং চীন।

প্রিয় পাঠক, স্বভাবতই আপনি নানান ঘটনার সাক্ষী। শেয়ার করুন আমাদের। ঘটনার বিবরণ, ছবি, ভিডিও আমাদের ইমেলে পাঠিয়ে দিন, cbnnews04@gmail.com ঠিকানায়। অথবা যুক্ত হতে পারেন chinabanglanews আমাদের ফেসবুক পেজে। কোন এলাকা, কোন দিন, কোন সময়ের ঘটনা তা জানাতে ভুলবেন না। আপনার নাম এবং ফোন নম্বর অবশ্যই দেবেন। আপনার পাঠানো খবরটি বিবেচিত হলে তা প্রকাশ করা হবে আমাদের ওয়েবসাইটে।

এই বিভাগের আরও খবর

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে

আমাদের লাইক পেজ

- Advertisment -spot_img

জনপ্রিয় পোস্ট